মুরগী চোর
একঃ প্রাচীনকালের রাজতন্ত্রে একটা বিষয় খুব কমন ছিল-রাজ্যে রাজ্যে যুদ্ধ।একজন রাজার পরাজয়বরণ বা আত্নসমর্পন বিপরীত রাজাকে শক্তিশালী করে তুলতো।আর যখন যুদ্ধ করার জন্য কোন প্রতিপক্ষ খুজে পাওয়া যেতো না তখন রাজারা নিজের রাজ্যের প্রতি মনোযোগী হতেন।নিজের রাজ্যের দস্যু ধরে ধরে হয় কতল করতেন অথবা অন্ধ কারাগারে কয়েদ করতেন। প্রাচীনকালের মতো এখন আর রাজা মন্ত্রী বা উজির খুজে পাওয়া যায় না।তবে দেশে দেশে আজও দস্যুদের খুজে পাওয়া যায়।আমাদের চোখের সামনেই তারা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।তাদের খোলস আর কর্ম প্রক্রিয়া পরিবর্তন হলেও কার্যক্রম একই আছে।পরিবর্তন হয়েছে শুধু নামে।আগে ওদের নাম ছিল দস্যু,এখন নাম হয়েছে বহু।যেমন,চোর,বাটপার,ডাকাত,সন্ত্রাস ইত্যাদি।এদের মধ্যে আবার কোয়ালিটিরও অভাব নেই।যেমন চোরের মধ্যে আছে সিঁধেলচোর,গাঁটকাটা চোর,পকেটমার,ছ্যাঁচড়া চোর,গরু চোর,মুরগী চোর ইত্যাদ ইত্যাদি! দুইঃ শফিকুল ইসলাম খান আমার নিজ গ্রামের সীমান্তের কাছেই বসবাস করেন।সে আমার নিজ গ্রামের বাসিন্দা না হলেও আশেপাশের সব গ্রামের সব কিছুতেই তার সশরীরে উপস্থিত হওয়া চাই-ই চাই,তা সে বিচার শালিস হোক কিংবা বিয়ে-শাদীর দাওয়াতই হোক।সে মনে করে তা...