পোস্টগুলি

লতিফ খান

আমাদের গ্রামের নাম এলাচিপুর। একদা এই গ্রামের লতিফ খান ওরফে নাতু খান নামে একজন মুরুব্বি বাস করতেন। উনি আমার দাদার বয়সের চাইতেও বেশি বয়স্ক হবেন৷ বাপ দাদার কাছে একটা সত্য ঘটনা শুনেছি উনার সম্পর্কে। প্রত্যেক বছর বিশেষ করে কোরবানির ঈদ আসলে তার কথা মনে হয়।  একবার গ্রামের সবাই সবাই কোরবানির স্থানে সমবেত হলেন। কিন্তু ঈদের দিনেও কারো মুখে হাসি নেই। কেননা একটি পশুও এবার কোরবানি হবে না!  না গরু না খাসি না ভেড়া। কারো কোরবানি দেয়ার সামর্থ্য সেবার হয়নি।  সেই সময় সবার মুখের দিকে তাকিয়ে লতিফ খান বললেন, " কি হইছে তোমাগো? মুখ বেজার ক্যান?" সবাই বললো," এবার গ্রামের কেউ কোরবানি গরু কিনে নাই।" লতিফ খান কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,"চিন্তা কইরো না তোমরা, আমার গোয়ালে যা আছে নিয়া আসো, কোরবানি হইবো! কোরবানির মাংস ভাগ কইরা নিবা!"  গোয়ালে একটি গাভী পাওয়া গেলো এবং তৎক্ষনাৎ তা কোরবানি করা হলো। মূহুর্তেই পুরো গ্রামে ঈদের খুশি ফিরে এলো।  এটা খুব সাধারণ কোন ঘটনা না, অত্যন্ত বড় কলিজাওয়ালা একজন মানুষের সত্য ঘটনা। আল্লাহ উনার কোরবানি কবুল করেছেন- এই প্রত্যাশা করি। এলাচিপুর গ্রাম যতো দিন থাকব...

হারামজাদা

 হারামজাদা  সিফাত হোসেন আগেও নাই পিছেও নাই আমি চলি শর্তে, যুদ্ধ হলে পালাই গিয়ে  ঘরের পিছে গর্তে!  ভাল মন্দ বুঝেই আমি  থাকি নিরপেক্ষ,  ঝোক বুঝে কোপ মারি চিনি আরাম কক্ষ। কথা বলাই কাজ আমার তবুও থাকি চুপ করে। খারাপ কাজ দেখলে আমি চলি উলটো পথ ধরে।  মানবতার কর্মী আমি হলাম শাহাজাদা,  যে যাই বলুক  আমি আসলে জাতীয় হারামজাদা।

নিশি রাতের যাত্রী

জ্যোৎস্না আবৃত বর্ষার রাতের আকাশ। দুই পাশে বিশাল বিলের মাঝ বরাবর চলে গেছে একটি রাস্তা। দূর আকাশ থেকে দেখলে মনে হবে আবছা সাদা কাঁথার মাঝখানে লম্বা একটি কালো সুতা। গ্রামের সরু রাস্তা তবে পাকা। সামান্য ভাঙাচোরা থাকলেও রাস্তা বেশ ভালো।  জোসনার আলোয় রাস্তাটি যেমন পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে তেমন দেখা যাচ্ছে বিলের মাছগুলো৷ বললে হয়তো বিশ্বাস হবে না, বিলের মাছগুলো সাতার কেটে বেড়াচ্ছে যেন তাদের চোখে ঘুম নেই। কিছুদূর পর পর দেখা যাচ্ছে বিলের মাঝে গজিয়ে ওঠা গাছ, গাছগুলোকে পেচিয়ে রেখেছে অনেক ধরনের লতা। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন কিছু একটা দাঁড়িয়ে আছে। জ্যোৎস্নার আলোয় সবকিছু পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। বিলের দিকে তাকালে মনে হচ্ছে, দিনের  আলোর তীব্রতা কমিয়ে মৃদু করে দেয়া হয়েছে। মনে হচ্ছে মৃদু আলোর চাদর, হাত দিলেই ধরা যাবে।  অপার্থিব এই দৃশ্য দেখতে দেখতে এগিয়ে চলেছি আমার অটো নিয়ে। যাত্রী পৌঁছে দিতে গিয়ে রাত হয়ে গেছে, এখন ঘড়িতে প্রায় একটা বাজে। রোগী দেখতে গিয়েছিল যাত্রীরা, তাই মানবতার কারনে না করতে পারিনি। মানুষ বিপদে পড়লে সাহায্য করতে হয়।  চাদের আলোয় হেলতে দুলতে আমার অটো এগিয়ে চলেছে। মানুষ তো দূ...

কালভার্ট

"আল্লাহ রহম করছে তোরে, সাহস দেখে বাচি না, একা একা গেছে ভাংগার পার, তাও আবার রাতের বেলা।  তির ভয় ডর কিছু নাই!" আমাদের গ্রামের শেষ মাথায় একটা কালভার্ট আছে।গ্রামের সবাই ওটাকে ভাংগার পার বলে। এক সময় সত্যিই ঐ জায়গাটা গভীর খানা খন্দে ভর্তি ছিল। সে সময়ের কিছু ভৌতিক কাহিনি আছে। তাই জায়গাটাকে সবাই সমিহের চোখে দেখে। ভাংগার পারের অনেক গল্প আছে। গল্পতো অনেকই থাকে, সব গল্প বিশ্বাস করা ঠিক না। একটা গল্প বলছি।গল্পটা আমার দাদার আমলের। কালভার্টের কাজ পেয়েছিলেন স্থানীয় এক মাতব্বর,তার নাম জানি না। তবে রেকর্ডে আছে এই কালভার্টের কাজের দ্বায়িত্ব ছিল নজরুল ইঞ্জিনিয়ারের কাছে। কালভার্ট করার সময় নজরুল ইঞ্জিনিয়ার অনেক নাজেহাল হয়েছেন। কারন স্থানীয় কেউ এখানে কাজ করতে চায় না। সবাই ভয় পায়। ভয়ের কারন ভয়! জিজ্ঞেস করলেও কিছু বলতে পারে না৷ তারা নাকি কাজ করতে গেলে ফোসফোস শব্দ শোনে। অনেক কষ্টে দুই একজনকে রাজি করানো গেলেও নজরুল ইঞ্জিনিয়ার পড়লেন আরো বড় বিপদে, যাকে বলে চুড়ান্ত বিপদ। তিনি কালভার্টের পিলার করেন, পরের দিন এসে দেখেন পিলার নাই! পানিতে ডুবে গেছে। তিনি অনেক চেষ্টা করেও যখন পার পাচ্ছিলেন না। শক্ত মাট...

সম্মান

"ভাইয়া সবাই মিলে এতো চাপাচাপি করছে তুমি রাজি হচ্ছো না কেন?" মিনির কিছুটা বিরক্তি মেশানো গলায় প্রশ্ন। " কিসের চাপাচাপি,কিসে রাজি হচ্ছি না?"না জানার ভান করে পাল্টা প্রশ্ন করলাম। "আর কত বার বলতে হবে,তোমার বিয়ের কথা হচ্ছে,রাজি হচ্ছো না কেন?" "কেন রাজি হচ্ছি না সেটা সবাই জানে,তারপরেও বারবার বলতে ভাল লাগছে না।যার বউ আছে সে কেন আবার বিয়ে করবে?" "তোর বউয়ের তো বাচ্চা হবে না,এটা তো বিয়ের সময় কেউ বলেনি,এখনতো সবাই জেনে গেছি।ভালয় ভালয় বলছি এই বউ ছেড়ে দিয়ে আবার বিয়ে কর,নাতী নাতনী দেখে মরি।" মা'র রাগত স্বরে স্বগতোক্তি। দীর্ঘ দিনের চেপে রাখা এই কথা মা কিভাবে জানতে পারলো ভেবে ঘেমে উঠলাম।হঠাৎ করে অস্বস্তির সাথে সাথে হৃদ স্পন্দনও অস্বাভাবিক বেড়ে গেল।দীর্ঘ সাত বছর গোপন করে রাখা কথাটাকে শেষ পর্যন্ত চেপে রাখতে পারলাম না।অহনা কখনো সন্তান জন্ম দিতে পারবে না-এটা আমি ছাড়া কেউ জানতো না,কিন্তু মা জানল কিভাবে! কিছুই হয়নি এমন একটা ভান করলাম।চেপে রাখা উত্তেজনাকে আরো চেপে রেখে বললাম,"ছেড়ে দিতে চাইলেই কি অতো সহজে কাউকে ছেড়ে দেয়া যায়?তোমরাই তো ওকে পছন...

উচিৎ শিক্ষা

ইব্রাহিম মাস্টারের উঠানে অনেক লোকের সমাগম।কোন অনুষ্টান নয় আবার কোন বিচার সালিশও নয় এমনকি কেউ মারাও যায়নি।তাহলে এতো লোকের সমাগম কেন? স্যার সাদা পাঞ্জাবি পড়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন।সাদা ধবধবে দাড়ির কারনে স্যারকে মাস্টারের চাইতে মসজিদের হুজুর বলেই বেশি মনে হচ্ছে।তাকে খুব একটা চিন্তিত মনে হচ্ছে না বরং কিছুটা বিষন্ন মনে হচ্ছে।।এগিয়ে গেলাম ঘটনা কি দেখতে।না গেলেই মনে হয় ভাল করতাম।ঘটনাটার সাক্ষী হয়ে নিজেকে আজও অপরাধী মনে হয়। ইব্রাহিম মাস্টারের বড় ছেলে জোর গলায় বলছে,"আমাদের এখন সংসার হয়েছে।আয় রোজগার তেমন নাই,তাই আপনাদের কাছে আমার আর্জি আমার ঘরে বাবা মা সপ্তাহে দুইদিন খাবে আর মেজো ও ছোট ছেলের ঘরে সপ্তাহের বাকি দিনগুলো খাবে।মেজো ছেলে ও ছোট ছেলে সমস্বরে চেচিয়ে বললো,"বড় ভাই যা বলেছে ঠিকই বলেছে,আমরাও দুই দিন করে খাওয়াবো।" পেছনের অন্দর ঘর থেকে এই সময় একজন মহিলা কথা বলে উঠলো। "তিন ছেলের ঘরে দুই দিন করে খেলে সপ্তাহে ছয় দিন হয়,তারপরেও তো একদিন বাকি থাকে,ঐ একদিন কার ঘরে খাবে সেটা সবার মাধ্যমে ঠিক করে রাখ?" কেউ বলে না দিলেও আমি খুব ভাল করেই জানি ঐ কন্ঠের মালিক কে,উনি ছ...

সুষম বন্টন

                (লেখকের নাম পাওয়া যায়নি) একবার জংগলে খুব খাবার অভাব দেখা দিলো।শিয়াল শকুন থেকে বনের রাজা সিংহ পর্যন্ত না খেয়ে দিনাতিপাত করতে লাগলো।কিন্তু এভাবে আর কতো দিন।না খেয়ে একদিন দুইদিন থাকা যায়-সপ্তাহ তো আর পার করা যায় না।এই চিন্তা করে রাজা মহাশয় সিংহ ক্লান্ত ভঙ্গীতে হাটছিল,পথে দেখা আরেক শিকারী চিতা বাঘের সাথে।চিতা বাঘও না খেতে পেয়ে শুকিয়ে গেছে।রাজা মহাশয় সিংহ চিতাকে ডাক দিতে যাবে এমন সময় হাজির বিজ্ঞ পন্ডিত শিয়াল।তার অবস্থাও ভাল না।শিয়াল দুই শিকারী দেখে যে ভয়ে দৌড় দেবে সে শক্তি তার নেই,আবার তাকে ধরে যে খেয়ে ফেলবে সে শক্তিও রাজা মহাশয় সিংহ বা চিতার নেই।তারা সবাই সবার মনের অবস্থা বুঝতে পারলো।বুঝে চিতা রাজা মহাশয় সিংহের অনুমতি নিয়ে শিয়ালকে জিজ্ঞেস করলো,"তাহলে এখন কী করা যায় পন্ডিত,না খেয়ে তো মরে গেলাম।শিকার করার শক্তিওতো হারিয়ে যাচ্ছে।বিজ্ঞ পন্ডিত শিয়াল ক্ষুধায় কাতর হলেও বুদ্ধি হারায়নি।সে বলল,"আসুন,আমরা তিনজনে মিলে একটা কিছু শিকার করি।"বুদ্ধিটা সিংহের ও চিতার মনে ধরলো।যেই ভাবা সেই কাজ।তারা অনেক খুজে প্রথমে একটা খরগোশ শিকার করলো,তারপর করলো এক...

কর্ম

আমার সামনে দুজন লোক বসে আছে,একজন পিতা অন্যজন তার পুত্র।পিতা পুত্র আমার দুর সম্পর্কের আত্মীয়।পিতার বয়স আনুমানিক ষাট থেকে পঁয়ষট্টি আর পুত্রের বয়স মোটামুটি ত্রিশের মতো।তারা দুজনেই বেশভূষায় আধুনিক।তবে পুত্রের চাইতে পিতা বেশ শক্তসমর্থ। পিতা পুত্রের মাঝে আমি আর পুত্র মহাশয় বেশ লজ্জিত মুখে বসে আছি পিতা চা পান করছেন আর পুত্রকে ধমকাচ্ছেন। পুত্র চায়ের পাত্র হাতে নিয়ে চুপ করে বসে আছেন,কোন কথাও বলছেন না চা পানও করছেন না।পিতা ধমকাচ্ছেন আর আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে বলছেন,"ওকে দেখ,সোনার টুকরা ছেলে,কষ্ট করে মানুষ হয়েছে,ঢাকা শহরে থেকে অনার্স পাশ করেছে।আর তুই?প্রাইমারীও পাশ করতে পারলি না,বাপের নাম উজ্জ্বল করতে পারলি না।" পুত্র এবার কাচুমাচু হয়ে বলল,"আব্বা,পড়া মাথায় না ঢুকলে আমি কী করবো আর আমি তো বসে বসে খাই না,আপনার ব্যবসা ধরে রেখেছি,সুন্দর ভাবে চালাচ্ছি।" আমি ঠিক এখানেই লজ্জা পাচ্ছিলাম।দীর্ঘশ্বাস ফেললাম,আহারে!তবু তো একটা কিছু করছে,আমি তো কিছুই করছি না,বেকার।বেচারা প্রাইমারী পাশ না করেই ব্যবসা করছে,আর আমি?আবারো দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম,আমি অনার্স পাশ করেও কিছুই করতে পারলাম না,ছি!কী লজ্জা! ...

মুরগী চোর

একঃ প্রাচীনকালের রাজতন্ত্রে একটা বিষয় খুব কমন ছিল-রাজ্যে রাজ্যে যুদ্ধ।একজন রাজার পরাজয়বরণ বা আত্নসমর্পন বিপরীত রাজাকে শক্তিশালী করে তুলতো।আর যখন যুদ্ধ করার জন্য কোন প্রতিপক্ষ খুজে পাওয়া যেতো না তখন রাজারা নিজের রাজ্যের প্রতি মনোযোগী হতেন।নিজের রাজ্যের দস্যু ধরে ধরে হয় কতল করতেন অথবা অন্ধ কারাগারে কয়েদ করতেন। প্রাচীনকালের মতো এখন আর রাজা মন্ত্রী বা উজির খুজে পাওয়া যায় না।তবে দেশে দেশে আজও দস্যুদের খুজে পাওয়া যায়।আমাদের চোখের সামনেই তারা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।তাদের খোলস আর কর্ম প্রক্রিয়া পরিবর্তন হলেও কার্যক্রম একই আছে।পরিবর্তন হয়েছে শুধু নামে।আগে ওদের নাম ছিল দস্যু,এখন নাম হয়েছে বহু।যেমন,চোর,বাটপার,ডাকাত,সন্ত্রাস ইত্যাদি।এদের মধ্যে আবার কোয়ালিটিরও অভাব নেই।যেমন চোরের মধ্যে আছে সিঁধেলচোর,গাঁটকাটা চোর,পকেটমার,ছ্যাঁচড়া চোর,গরু চোর,মুরগী চোর ইত্যাদ ইত্যাদি! দুইঃ শফিকুল ইসলাম খান আমার নিজ গ্রামের সীমান্তের কাছেই বসবাস করেন।সে আমার নিজ গ্রামের বাসিন্দা না হলেও আশেপাশের সব গ্রামের সব কিছুতেই তার সশরীরে উপস্থিত হওয়া চাই-ই চাই,তা সে বিচার শালিস হোক কিংবা বিয়ে-শাদীর দাওয়াতই হোক।সে মনে করে তা...

মৃত্যু

অনেক্ষন যাবৎ চেষ্টা করিয়াও যখন যৎসামান্য ময়লা তুলিতে পারিলাম না,তখন খুব করিয়া লাগিয়া গেলাম।আংগুলের নখ দিয়া চুলকাইতে চুলকাইতে গায়ে রক্ত  বাহির করিয়া ফেলিলাম।হঠাৎ বোধ বুদ্ধির উদয় হইল।উহা তো ময়লা নহে, উহা তিলক! (এটাও আমাদের রোজকার কাজ।যাকে মুরুব্বিরা আকাম বলে থাকে।কিছু কিছু লোক আবার আমাদের দিয়ে এসব কাজ করিয়েও থাকে) একঃ পরিক্ষার ফাকে বা কাজের ফাকে যদি মাঝেমধ্যে ভ্রমন করা যায় তাহলে সেটা শারীরিক ও মানষিক উভয়ের জন্য প্রশান্তি বয়ে আনে।আমি অবশ্য আজকে আনন্দ ভ্রমনের জন্য বের হইনি,বের হয়েছি রিজিকের সন্ধানে।আগামীকাল আমার একটা ভাইবা আছে,তেমন নামকরা কোম্পানি না,তবে বসে বসে বাপের অন্ন ধ্বংস করার চাইতে এই চেষ্টা উত্তম। আজ পহেলা মে,রাস্তায় মানুষ আছে;গাড়ি নেই।আমার এমনিতেই ঢাকা শহর ভাল লাগে না,তার উপর আজ গাড়ি নেই।মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল।তবে খুব বেশি দেড়ি হলো না একটা সুন্দর প্রাইভেট কার পেতে।ড্রাইভার হাত দিয়ে ইশারা করছে,ঢাকা যাবো কিনা জানতে চায়।প্রাইভেট কারে যেতে আমার মন সাড়া দিচ্ছে না।কারন আজকাল এসব যানে অপকর্ম হচ্ছে হরহামেশাই।আমার এক বড়ভাইকে ঈদের সময় ধরেছিল এইরকমভাবে।বাড়ি যাওয়ার পথে সবকিছু রেখে...