মৃত্যু
অনেক্ষন যাবৎ চেষ্টা করিয়াও যখন যৎসামান্য ময়লা তুলিতে পারিলাম না,তখন খুব করিয়া লাগিয়া গেলাম।আংগুলের নখ দিয়া চুলকাইতে চুলকাইতে গায়ে রক্ত বাহির করিয়া ফেলিলাম।হঠাৎ বোধ বুদ্ধির উদয় হইল।উহা তো ময়লা নহে, উহা তিলক! (এটাও আমাদের রোজকার কাজ।যাকে মুরুব্বিরা আকাম বলে থাকে।কিছু কিছু লোক আবার আমাদের দিয়ে এসব কাজ করিয়েও থাকে) একঃ পরিক্ষার ফাকে বা কাজের ফাকে যদি মাঝেমধ্যে ভ্রমন করা যায় তাহলে সেটা শারীরিক ও মানষিক উভয়ের জন্য প্রশান্তি বয়ে আনে।আমি অবশ্য আজকে আনন্দ ভ্রমনের জন্য বের হইনি,বের হয়েছি রিজিকের সন্ধানে।আগামীকাল আমার একটা ভাইবা আছে,তেমন নামকরা কোম্পানি না,তবে বসে বসে বাপের অন্ন ধ্বংস করার চাইতে এই চেষ্টা উত্তম। আজ পহেলা মে,রাস্তায় মানুষ আছে;গাড়ি নেই।আমার এমনিতেই ঢাকা শহর ভাল লাগে না,তার উপর আজ গাড়ি নেই।মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল।তবে খুব বেশি দেড়ি হলো না একটা সুন্দর প্রাইভেট কার পেতে।ড্রাইভার হাত দিয়ে ইশারা করছে,ঢাকা যাবো কিনা জানতে চায়।প্রাইভেট কারে যেতে আমার মন সাড়া দিচ্ছে না।কারন আজকাল এসব যানে অপকর্ম হচ্ছে হরহামেশাই।আমার এক বড়ভাইকে ঈদের সময় ধরেছিল এইরকমভাবে।বাড়ি যাওয়ার পথে সবকিছু রেখে...