পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Study in "1"

                       মোঃসিফাত হোসেন নিজেকে অতি জ্ঞানী মনে করা খারাপ কিছু না,খারাপ তখনি হয় যখন সে আশেপাশের সবকিছুকে তুচ্ছা মনে করতে থাকে।আমার আশেপাশে যা আছে তা তুচ্ছ নয়,এগুলো আমার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।কিন্তু কে তৈরি করেছে?   পৃথিবীতে কিছু অতি জ্ঞানী মানুষ আছে, যারা মনে করে স্রষ্টা বলতে কিছু নেই,কোন কিছু ছিল না।এদের মধ্যে অগ্রগণ্য শিক্ষিতরা।তারা জ্ঞানের মাধ্যমে বুঝাতে চায় স্রষ্টা বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমি জ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা বিজ্ঞান আর গনিত দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করবো তারা আসলে ভুল।জ্ঞানের যেকোন শাখা দ্বারাই প্রমান করা যায় তিনি আছেন,তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা। সমস্যা ১: বিজ্ঞানের মতে শক্তির কোন ধ্বংস বা বিনাশ নেই।যার শুরু বা শেষ নেই তাকে বিজ্ঞান বিশ্বাস করে না।তাহলে বিজ্ঞান কেন এই পরষ্পর বিরোধী কথা বলছে ? বিজ্ঞান আরো বলে কোন কিছুই শুন্য থেকে সৃষ্টি হয় না।আমি এটা বলবনা যে তাহলে পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হল? এটা নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন,যুক্তি দিয়েছেন,শুধু বিতর্কই হয়েছে সার্বজনীন কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।কিন্তু আমি ...

দর্শনঃমোল্লা নাসিরুদ্দিনের ফুঁ

                        মোঃসিফাত হোসেন দর্শনের ছাত্র হওয়ার কারনে আমার অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে,এখনো হচ্ছে।সামনে, পেছনে অনেক কথাই শুনেছি।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের এক ছাত্র আমাকে বলেছিল দর্শন নাকি লোকাল সাবজেক্ট।আমি তাকে বেয়াকুফের মতো জিজ্ঞেস করেছিলাম,"ভাই,তাহলে সিটিং সার্ভিস সাবজেক্ট কোনগুলো?” আমি ভেবে পাইনা সাবজেক্ট আবার লোকাল হয় কি করে?লোকাল তো হয় শুনেছি বাস, ট্রেন,জাহাজ।উন্নত দেশে এগুলোও লোকাল হয় না।আমি সেদিন অপমানিত না হয়ে হয়েছিলাম বোকা। অনেকে আবার সরাসরিও বলেছে,"ও দর্শনে পড়,আর কিছু পাওয়া গেল না,এইটা একটা পড়ার বিষয় হইল,বাজারে তো এর কোন মূল্যই নাই।আকাঠ মূর্খ না হলে এখন আর এসব কেউ পড়ে নাকি!" অতিব জ্ঞানের কথা,"বাজারে মূল্য নাই।"তাহলে আমি কেন পড়ছি? সমালোচনা শুনে আগে মনে মনে হাসতাম,এখন প্রকাশ্যেই হাসি।কেননা,দর্শন সবার জন্য নয়। সমালোচকরা দর্শন সম্পর্কে কিছুই জানেনা।প্রায় প্রত্যেক শিক্ষিত মানুষই বাংলা,ইতিহাস,বিজ্ঞান,ইসলাম শিক্ষা,সমাজ কল্যান,সমাজ কর্ম,রাষ্ট্র বিজ্ঞান ইত্যাদি কী; সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা রাখ...

ভিন্ন-অভিন্ন

                       মোঃসিফাত হোসেন অনেকদিন আগে এক ব্যক্তি হুজুরের কাছে আসলো একটা সমস্যা সমাধানের জন্য।হুজুর তখন শাগরেদদের নিয়ে ধর্মীয় আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন।হুজুর লোকটির আগমনের কারন জানতে চাইলেন। লোকটি বলল,"আমার ঘী-এর ব্যবসা আছে,কিন্তু গতকাল রাতে একটা ইঁদুর পাত্রে পরেছে,এখন আমি কী করবো?" হুজুরঃ"পাত্রের যে অংশে ইঁদুর পরেছে সেই অংশ ফেলে দিলে তুমি ওই ঘী খেতে বা বিক্রি করতে পারবে।"সমাধান পেয়ে লোকটি খুশি হয়ে চলে গেল। এর বেশ কিছুকাল পরে অন্য একজন লোক হুজুরের খোজে আসলো একটা সমস্যা সমাধানের জন্য,হুজুর তখন ভিতরে আরাম করছিলেন।তাকে না পেয়ে শাগরেদদের কাছেই আগন্তুক সমস্যাটি বলল,"আমি ঘী-এর ব্যবসা করি,কিন্তু গতকাল রাতে একটা ইঁদুর ঘী-এর পাত্রে পরেছে,এখন আমার কী করা উচিৎ? " একজন শাগরেদ সাথে সাথে উত্তর দিলেন,"এর সমাধান আমিই দিতে পারবো,হুজুরের কাছে যেতে হবেনা।পাত্রের যে অংশে ইঁদুর পরেছে সেই অংশ ফেলে দিলে ওই ঘী আপনি খেতে বা বিক্রি করতে পারবেন।" লোকটি খুশি হয়ে চলে যাচ্ছিল, এমন সময় হুজুর চলে আসলেন এবং লোকটি কেন এসেছিল জানতে চেয়ে তাকে থামাল...

আশ্চর্য ঘটনা

                  মোঃসিফাত হোসেন বেশ কিছুদিন আগে আমার গ্রামে একটা অবাক করা ঘটনা ঘটেছিল।মসজিদের হুজুর ঘড়ির ভুলের কারনে জোহরের আজান একটার পরিবর্তে দুপুর বারটায় দিয়ে ফেলেছিলেন।তিনি এর আগে এমনটা কখনোই করেননি,এই প্রথম,আর তখনি ঘটলো অবাক করা ঘটনা।গ্রামের অর্ধেক মানুষ ছুটে আসলো কারন জানার জন্য।সবাই হুজুরকে দোষারোপ করতে লাগলো;এত বড় ভুল সে কীভাবে করলো,ইত্যাদি ইত্যাদি, হুজুর যতই বুঝাতে চায় ঘড়ি দেখে সে আজান দিয়েছে আর ঘড়িটা তখন ছিল নষ্ট।কিন্তু জনগন বুঝতে চায় না,হুজুরকে আরো বেশি করে চেপে ধরে।এভাবে কথা চলতে থাকে প্রায় এক সপ্তাহ।এটাই আমার কাছে সব চাইতে অবাক করা ঘটনা,কেননা ঐ একই হুজুর প্রতিদিন পাঁচবার আজান দেন,আমরা কেউই শুনতে পাই না,অথচ তার একটি ভুল আমরা সবাই একযোগে শুনতে ও বুঝতে পারলাম।এটা আশ্চর্য ঘটনা নয়?