Study in "1"
মোঃসিফাত হোসেন
নিজেকে অতি জ্ঞানী মনে করা খারাপ কিছু না,খারাপ তখনি হয় যখন সে আশেপাশের সবকিছুকে তুচ্ছা মনে করতে থাকে।আমার আশেপাশে যা আছে তা তুচ্ছ নয়,এগুলো আমার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।কিন্তু কে তৈরি করেছে?
পৃথিবীতে কিছু অতি জ্ঞানী মানুষ আছে, যারা মনে করে স্রষ্টা বলতে কিছু নেই,কোন কিছু ছিল না।এদের মধ্যে অগ্রগণ্য শিক্ষিতরা।তারা জ্ঞানের মাধ্যমে বুঝাতে চায় স্রষ্টা বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই।
আমি জ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা বিজ্ঞান আর গনিত দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করবো তারা আসলে ভুল।জ্ঞানের যেকোন শাখা দ্বারাই প্রমান করা যায় তিনি আছেন,তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা।
সমস্যা ১: বিজ্ঞানের মতে শক্তির কোন ধ্বংস বা বিনাশ নেই।যার শুরু বা শেষ নেই তাকে বিজ্ঞান বিশ্বাস করে না।তাহলে বিজ্ঞান কেন এই পরষ্পর বিরোধী কথা বলছে ?
বিজ্ঞান আরো বলে কোন কিছুই শুন্য থেকে সৃষ্টি হয় না।আমি এটা বলবনা যে তাহলে পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হল?
এটা নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন,যুক্তি দিয়েছেন,শুধু বিতর্কই হয়েছে সার্বজনীন কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।কিন্তু আমি যেটা বলব তা হচ্ছে 0 থেকে কিভাবে 1 এর জন্ম হল?শুন্য থেকে কিছু সৃষ্টি হতে পারেনা,এটা বিজ্ঞানের কথা,তাহলে গনিতের শুরু শূন্য থেকে কেন?
গনিত বিশুদ্ধ বিজ্ঞান।
মানুষের ভাষা বা শব্দ চয়ন বিভিন সময় বিভিন্ন হয়,একটি দেশের মধ্যেই ভাষার বা শব্দের বিভিন্নতা দেখা যায়,অঞ্চল ভেদে আমাদের দেশেই একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ হয়,
কিন্তু গনিতের ক্ষেত্রে এটা ভিন্ন,আমার মনে হয় গনিতই একমাত্র বিষয় যার বিষয় বা পদ্ধতি সব জায়গায় এমনকি মহাকাশেও এক।1,2,3,4 এগুল সব জায়গাতেই এক।সব দেশেই এদের মান সমান।কিন্তু শুন্য থেকে কেন সে জন্ম নিলো,যেখানে বিজ্ঞান বলছে শূন্য থেকে কিছুই সৃষ্টি হয় না?বিষয়টা অদ্ভুত,কেননা গনিত হচ্ছে বিশুদ্ধ বিজ্ঞান!
আমার প্রশ্নের উত্তর পাওয়া হলো না।
শূন্য, একের জন্ম দিল কিভাবে?
আরেকটা বিষয় কখনো বুঝতে পারিনি,তা হলো- 1এর জন্ম 0 থেকে হলেও এর কিন্তু শেষ নেই।মানে আমার চৌদ্দ পুরুষ মিলেও যদি 1 থেকে গননা শুরু করে তাহলেও গুনে শেষ করতে পারবে না।আমরা এমনি এক বিজ্ঞান তৈরি করেছি যার শেষ নেই!তার মানে আমরা মানুষরাই অসীম কিছু তৈরি করতে পারি!
সমাধানঃবৈজ্ঞানিক কোন কিছু প্রমান করতে গেলে Hypothesis দাড় করাতে হয়,অনেক সময় এটা শুন্য থেকে শুরু করতে হয়।কারন অনেক সময় তাছাড়া আর কিছু করার থাকে না।তা নাহলে সব এলোমেলো হয়ে যায়,অন্যথায় তখন সমাধান খুজতে গিয়ে সমস্যাকেই বাড়িয়ে দেয়া হয়!
সমস্যা ২:বিখ্যাত গণিতবিদ বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন,"প্রকৃত ভগ্নাশের কোন আদি পদ বা প্রথম সংখ্যা নেই।অর্থাৎ প্রকৃত ভগ্নাংশকে যেভাবেই হিসেব করা হোক না কেন তা একটা পূর্নাজ্ঞ সংখ্যা হবে না।তাহলে এটা কিভাবে সৃষ্টি হল?
এই তত্ত্বের সাথে পদার্থ বিজ্ঞানের একটা সম্পর্ক আছে।পৃথিবী সৃষ্টির ব্যাখ্যা থেকে চাঁদের ছিটকে যাওয়া নিয়ে যে তত্ত্ব আছে এটা অনেকটা প্রকৃত ভগ্নাংশের মত।এর মাধ্যমে প্রমান করা গেছে চাঁদ আসলে পৃথিবীর একটা অংশ ছিল।বিগ-ব্যাং এর ফলে পৃথিবী থেকে একটা অংশ ছিটকে গিয়ে পরে চাঁদে পরিণত হয়েছে।
এখন আমি প্রশ্ন করতেই পারি তাহলে প্রকৃত ভগ্নাংশ কিভাবে সৃষ্টি হল?
সমাধানঃএর উত্তর হচ্ছে এটা আমরাই তৈরি করেছি!কিন্তু অজানা কারনে এটাকে আমরা মেলাতে পারছি না।হয়তো এর ধ্বংসই এর প্রকৃত সংখ্যার মিলন ঘটানে পারে।
আমি এই বিশুদ্ধ বিজ্ঞান "গনিতে"র সাহায্য নিয়ে এটাই বুঝাতে চাই মানুষ একটা প্রকৃত ভগ্নাংশ, যার পূর্ণরূপ সম্পর্কে সে অবহিত হয়েও পূর্ন 1 এর সাথে মিলতে পারছে না,কিন্তু গনিতের মত সেও জানে তার একটা পূর্ন 1 আছে।কে জানে হয়ত মৃত্যুর পরে মানুষ নামক ভগ্নাংশ তার পূর্ন "এক" স্রষ্টার সাথে মিলতে পারবে!
নিজেকে অতি জ্ঞানী মনে করা খারাপ কিছু না,খারাপ তখনি হয় যখন সে আশেপাশের সবকিছুকে তুচ্ছা মনে করতে থাকে।আমার আশেপাশে যা আছে তা তুচ্ছ নয়,এগুলো আমার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।কিন্তু কে তৈরি করেছে?
পৃথিবীতে কিছু অতি জ্ঞানী মানুষ আছে, যারা মনে করে স্রষ্টা বলতে কিছু নেই,কোন কিছু ছিল না।এদের মধ্যে অগ্রগণ্য শিক্ষিতরা।তারা জ্ঞানের মাধ্যমে বুঝাতে চায় স্রষ্টা বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই।
আমি জ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা বিজ্ঞান আর গনিত দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করবো তারা আসলে ভুল।জ্ঞানের যেকোন শাখা দ্বারাই প্রমান করা যায় তিনি আছেন,তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা।
সমস্যা ১: বিজ্ঞানের মতে শক্তির কোন ধ্বংস বা বিনাশ নেই।যার শুরু বা শেষ নেই তাকে বিজ্ঞান বিশ্বাস করে না।তাহলে বিজ্ঞান কেন এই পরষ্পর বিরোধী কথা বলছে ?
বিজ্ঞান আরো বলে কোন কিছুই শুন্য থেকে সৃষ্টি হয় না।আমি এটা বলবনা যে তাহলে পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হল?
এটা নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন,যুক্তি দিয়েছেন,শুধু বিতর্কই হয়েছে সার্বজনীন কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।কিন্তু আমি যেটা বলব তা হচ্ছে 0 থেকে কিভাবে 1 এর জন্ম হল?শুন্য থেকে কিছু সৃষ্টি হতে পারেনা,এটা বিজ্ঞানের কথা,তাহলে গনিতের শুরু শূন্য থেকে কেন?
গনিত বিশুদ্ধ বিজ্ঞান।
মানুষের ভাষা বা শব্দ চয়ন বিভিন সময় বিভিন্ন হয়,একটি দেশের মধ্যেই ভাষার বা শব্দের বিভিন্নতা দেখা যায়,অঞ্চল ভেদে আমাদের দেশেই একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ হয়,
কিন্তু গনিতের ক্ষেত্রে এটা ভিন্ন,আমার মনে হয় গনিতই একমাত্র বিষয় যার বিষয় বা পদ্ধতি সব জায়গায় এমনকি মহাকাশেও এক।1,2,3,4 এগুল সব জায়গাতেই এক।সব দেশেই এদের মান সমান।কিন্তু শুন্য থেকে কেন সে জন্ম নিলো,যেখানে বিজ্ঞান বলছে শূন্য থেকে কিছুই সৃষ্টি হয় না?বিষয়টা অদ্ভুত,কেননা গনিত হচ্ছে বিশুদ্ধ বিজ্ঞান!
আমার প্রশ্নের উত্তর পাওয়া হলো না।
শূন্য, একের জন্ম দিল কিভাবে?
আরেকটা বিষয় কখনো বুঝতে পারিনি,তা হলো- 1এর জন্ম 0 থেকে হলেও এর কিন্তু শেষ নেই।মানে আমার চৌদ্দ পুরুষ মিলেও যদি 1 থেকে গননা শুরু করে তাহলেও গুনে শেষ করতে পারবে না।আমরা এমনি এক বিজ্ঞান তৈরি করেছি যার শেষ নেই!তার মানে আমরা মানুষরাই অসীম কিছু তৈরি করতে পারি!
সমাধানঃবৈজ্ঞানিক কোন কিছু প্রমান করতে গেলে Hypothesis দাড় করাতে হয়,অনেক সময় এটা শুন্য থেকে শুরু করতে হয়।কারন অনেক সময় তাছাড়া আর কিছু করার থাকে না।তা নাহলে সব এলোমেলো হয়ে যায়,অন্যথায় তখন সমাধান খুজতে গিয়ে সমস্যাকেই বাড়িয়ে দেয়া হয়!
সমস্যা ২:বিখ্যাত গণিতবিদ বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন,"প্রকৃত ভগ্নাশের কোন আদি পদ বা প্রথম সংখ্যা নেই।অর্থাৎ প্রকৃত ভগ্নাংশকে যেভাবেই হিসেব করা হোক না কেন তা একটা পূর্নাজ্ঞ সংখ্যা হবে না।তাহলে এটা কিভাবে সৃষ্টি হল?
এই তত্ত্বের সাথে পদার্থ বিজ্ঞানের একটা সম্পর্ক আছে।পৃথিবী সৃষ্টির ব্যাখ্যা থেকে চাঁদের ছিটকে যাওয়া নিয়ে যে তত্ত্ব আছে এটা অনেকটা প্রকৃত ভগ্নাংশের মত।এর মাধ্যমে প্রমান করা গেছে চাঁদ আসলে পৃথিবীর একটা অংশ ছিল।বিগ-ব্যাং এর ফলে পৃথিবী থেকে একটা অংশ ছিটকে গিয়ে পরে চাঁদে পরিণত হয়েছে।
এখন আমি প্রশ্ন করতেই পারি তাহলে প্রকৃত ভগ্নাংশ কিভাবে সৃষ্টি হল?
সমাধানঃএর উত্তর হচ্ছে এটা আমরাই তৈরি করেছি!কিন্তু অজানা কারনে এটাকে আমরা মেলাতে পারছি না।হয়তো এর ধ্বংসই এর প্রকৃত সংখ্যার মিলন ঘটানে পারে।
আমি এই বিশুদ্ধ বিজ্ঞান "গনিতে"র সাহায্য নিয়ে এটাই বুঝাতে চাই মানুষ একটা প্রকৃত ভগ্নাংশ, যার পূর্ণরূপ সম্পর্কে সে অবহিত হয়েও পূর্ন 1 এর সাথে মিলতে পারছে না,কিন্তু গনিতের মত সেও জানে তার একটা পূর্ন 1 আছে।কে জানে হয়ত মৃত্যুর পরে মানুষ নামক ভগ্নাংশ তার পূর্ন "এক" স্রষ্টার সাথে মিলতে পারবে!
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন