রক্তাক্ত ডায়রি

একঃ
ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি আমার দাদী মানুষজনকে ঝাড়ফুঁক করতেন।তিনি পেশায় কবিরাজ না-হলেও মানুষজন তার কাছে আসতো দোয়া চাইতে। দাদীও সবাইকে দোয়া পড়ে ফুঁ দিতেন।
আমি বেশ কিছু মানুষকে চিনি যারা ডাক্তারি বিদ্যায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে দাদীর শরণাপন্ন হয়েছিল।দাদীর "চিকিৎসায়" তারা আমৃত্যু ঐ রোগে ভোগেননি!
আশ্চর্য কথা হচ্ছে দাদী কোরআন পড়তে জানতো না এমনকি বাংলাও পড়তে জানতো না! আমার মা তাকে অসংখ্য বার জিজ্ঞেস করেছে "আপনি কোন সূরা পড়ে নামাজ পড়েন?"
দাদী কোন উত্তর দিতেন না,চুপ করে থাকতেন অথবা পাশ কাটিয়ে যেতেন।
আমার দাদী কিছু না জানলেও উনি ছিলেন একজন সৎ মহিলা,কারো অনিষ্ট করা তার ধাতে ছিল না।হয়তো উনার সততাই ছিল "চিকিৎসা পদ্ধতি।"
আসলে আগের যুগটাই ছিল আলাদা।

দাদীর একটা ছোট্ট ঘর ছিল; ঘর না বলে বরং ঘরের মধ্যে খুপরি বলা ভালো।কেননা ঐ ঘরটা ছিল ঘরের ভেতরে বাশের চাটাই ঘেরা ছোট্ট একখন্ড খুপরি।খুপরির  ভিতর ছিল একটা লাল কাপড়ে ঢাকা টুল; যাকে দাদী আসন বলতো।আসনে থাকতো কিছু আগরবাতি কয়েকটা মোমবাতি আর কিছু পাচ দশ বা পঁচিশ পয়সার মুদ্রা।আমার কাজ ছিল এই মুদ্রা গুলো হিসাব করা আর মাঝেমধ্যে আসন পরিষ্কার করা।মাঝে মধ্যে কিছু বকশিশ পেতাম।যখন না পেতাম তখন কিছু মুদ্রা হারিয়ে যেতো। কেউ জানতেও পারেনি এমন কাজ কে করতে পারে!
মুদ্রা খুব বেশি থাকতো না,বড়জোর দেড় থেকে দুই টাকা হতো।মুদ্রা কম হওয়ার কারনও আছে,দাদী কারো কাছ থেকে পয়সা নিতেন না।
যারা জোর করে কিছু দিতো তাদের টাকা জমিয়ে বছরে একবার কিছু রান্না করে দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দিতেন- এটাই ছিল দাদীর জীবন চিত্র।

এখন দাদীও নেই আর কেউ বকশিসও দেয় না।ইলেক্ট্রিসিটি আসার পর জীবনের অনুভূতিগুলো টেলিভিশন আর মোবাইলে আটকে গেছে।
বহুবছর পার করেছি দাদীর বকশিস ছাড়া।আমি বড় হয়েছি, ঘর বড় হয়েছে শুধু বড় হয়নি দাদীর সেই লাল কাপড়ে ঢাকা আসন।আজ ঘর পরিষ্কার করার ফাকে দাদীর সেই আসনের দিকে নজর আটকে গেলো।আগের ঘর ভেঙে ফেলা হলেও মা সযত্নে আসন নতুন ঘরের এক কোনায় রেখে দিয়েছে।মাকড়শার জাল থাকা সত্যেও দেখতে পেলাম এখনো কিছু মুদ্রা পড়ে আছে।গত বিশ বছরে একটি মুদ্রাও হারিয়ে যায়নি।অজান্তেই একটা দীর্ঘ নিশ্বাস বেড়িয়ে এলো।
লাল কাপড়টা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে টান দিলাম, কাপড়ের নিচ থেকে একটা মোটা খাম বেড়িয়ে এলো।হাতে নিয়ে দেখলাম বেশ পুরনো খাম।নাম ঠিকানা কিছু নেই তবে ভেতরে কিছু আছে মনে হয়।আমি ভেবে পাচ্ছি না দাদী পড়তে জানতো না,তাহলে কে তাকে চিঠি লিখবে?আর তার থেকেও বড় কথা খামটা বেশ পুরনো, মনে হচ্ছে বৃটিশ আমলের।এই জিনিস এখানে আসলো কোত্থেকে?কোন দলিল নয়তো?

কোন কিছু চিন্তাভাবনা না করে যেখানে যা ছিল সব রেখে দিলাম, শুধু খামটা বাদে।এটার ভিতরে কী আছে দেখতে হবে।আমি ছোট বেলা থেকেই আসন পরিষ্কার করছি কখনো কোন খাম বা ঐ জাতীয় কিছু দেখিনি।


দুইঃ
রাত এগারোটা।
সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষ করে এখন খাম নিয়ে বসেছি।টেবিল ল্যাম্পের লালচে আলোয় খামটাকে আরো বেশি পুরনো মনে হচ্ছে।খামটাকে ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে না কারন এটা দুর্লভ হতে পারে, যা হোক সেই কষ্ট করতে হলো না,কারন খাম খোলাই ছিল।ভেতর থেকে একটা মোটা চিঠির সবে অর্ধেকটা বেড় করেছি ঠিক এমন সময় ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেলো। মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেলো।ইলেক্ট্রিসিটি সুবিধা যেমন দিচ্ছে ভোগান্তিও দিচ্ছে চরম।কি আর করা, মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়তে শুরু করলাম।চিঠিটা লেখা হয়েছে মোটা কাগজে আর  কাপা কাপা হাতে অথাবা যিনি লিখেছেন তার হাতের লেখা ভালো না,লেখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে দোয়াতের কালি।এজন্যই খামটাকে বেশ মোটা মনে হয়েছিল।আসলে বেশি কিছু লেখা নেই।কালের আবর্তে লেখা ঝাপসা হলেও পড়া যাবে মনে হয়।লেখার কোথাও সন তারিখ দেয়া হয়নি।কাউকে সম্মোধন করেও লেখা হয়নি,আসলে এটা কোন চিঠি না; ডায়রি।ডায়রির পাতা ছিঁড়ে চিঠির মতো করা হয়েছে। পাতার এক কোনায় প্রিন্টের ছাপায় আবছা দেখা যাচ্ছে ১৮৬৬ সাল।আতংকে শিউরে ওঠার মতো একটা কথা হচ্ছে এই ডায়রির জায়গায় জায়গায় রক্তের দাগ!শুকিয়ে ম্যাটম্যাটে হয়ে গেলেও বেশ বুঝতে পারছি এটা রক্তের দাগ ছাড়া অন্য কিছু হতেই পারে না।যাহোক আর কোন ব্যাখ্যা না করে লেখকের বক্তব্য সরাসরি তুলে দিলাম।আগে যদি জানতাম এতো বীভৎস ঘটনা পড়তে হবে তাহলে কোন দিক চিন্তা না করে সম্পূর্ণ অংশটাই পুড়িয়ে ফেলতাম!


"আমার নাম হালিম দারোগা,অভিশপ্ত এক ইতিহাস রচনা করতে চলেছি আজ।জীবনের শেষ প্রান্তে এসে লিখতে চলেছি ছোট্ট একটি ঘটনা; যার অভিশাপ আমার প্রায় অর্ধেকটা খেয়ে ফেলেছে!

এক সময় আমি ছিলাম প্রচণ্ড দাপুটে, কোন কিছুই তোয়াক্কা করতাম না।হালিম দারোগার নাম শুনলে ডাকাত তো ডাকাত আশেপাশের শিয়াল শকুন পর্যন্ত ভয়ে কাদাপানিতে ডুব মেরে থাকতো।যে সময়ের কথা লিখছি তখন রাস্তাঘাট ছিল না,চেয়ারম্যানরা ছিল চালের আড়তদার,বট তলায় সপ্তাহে একদিন হাট বসতো,টাকার প্রয়োজন হলে ছিল দাদন ব্যবসায়ী-এই ছিল গ্রামের হালচাল।এই হালচাল কারনেই আমি দাপট দেখাতে পারতাম।
 যারা চাকরী করতো তারা রাজার চাইতে কোন অংশে কম ছিল না।আমি ছিলাম তাদের অন্যতম। আমি হালিম দারোগা ছিলাম চোর ধরায় সিদ্ধহস্ত,চোর বানাতেও ছিলাম সিদ্ধহস্ত।তবে আমার সবচাইতে বড় "হস্ত" ছিল সুদের ব্যবসা। কেউ টাকা নিলে সুদ না দিয়ে মরতে পারবে না-এমনই ছিল আমার কঠিন নিয়ম।কিন্তু একজন ব্যক্তি এই কঠিন নিয়ম একবার  ভঙ্গ করেছিল। বিধবার একমাত্র সন্তান পরিক্ষার জন্য সুদে টাকা নিয়েছিল।পাচ টাকা আসলে মাসে এক টাকা সুদ।
ঐ মহিলা ভিক্ষা করে বেশ কিছুদিন সুদ দিয়েছে।কিন্তু অসুস্থতার জন্য একমাসের সুদ বাকী পরেছিল। সেই বাকির টাকা তুলতে আমি যা করেছি তা ইতিহাসের যে কোন মর্মান্তিক ঘটনাকে হার মানিয়ে দেবে।হ্যা আজ আমি জীবনের শেষ প্রহর গুনছি , তাই নিজের পাপের কাহিনী লিখে যাচ্ছি।ইচ্ছে করলেই সৎ ভাবে রাজার হালে বেচে থাকতে পারতাম,কিন্তু লোভ ভিন্ন জিনিস। রাজারাও একসময় রাজাধিরাজ হতে চায়,আমিও তাই চাইতাম, স্বপ্ন দেখতাম পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ আমার পায়ের কাছে লুটোপুটি খাচ্ছে।সম্পদ আমার পায়ের কাছে লুটোপুটি ঠিকই খেয়েছিল, কিন্তু আফসোস আগে যদি জানতাম একটা পা পৃথিবীর সব সম্পদের চাইতে বেশি দামী তাহলে আজ এই অবস্থা হতো না আমার।"

এ পর্যন্ত লেখার পর বেশ কিছু অংশ ফাকা,হালিম দারোগা মনে হয় লিখতে লিখতে হাপিয়ে উঠেছিল,কারন লেখার এই অংশে খুব তাড়াহুড়ো করা হয়েছে।লেখার মান আগের চাইতে খারাপ হচ্ছে,মাঝেমধ্যেই কাটাকুটি, সহজ বানানও ভুল করা হয়েছে।
পরের পৃষ্ঠা থেকে আবার লেখা শুরু হয়েছে এভাবেঃ

"কেউ আমার হাত থেকে একপয়সার ছাড় পায়নি কোনদিন।বিধবার ছেলেকেও ছাড় দেইনি।
সেই রাতে বিধবার একমাত্র ছেলেটাকে পাকড়াও করেছিলাম।লোক পাঠিয়ে ধরে এনেছিলাম।আমি যাকে পাকড়াও করেছি সে মৃত্যুর স্বাদ পেয়েছে নয়তো আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে।

সুদের টাকা না দেয়ায় পুকুরের পানিতে গায়ের জোরে ছেলেটার মাথা পা দিয়ে চেপে ধরেছিলাম।আমার পায়ের নিচে ছেলেটা ছটফট করতে করতে একসময় মারা গেছে।বিধবা আমার আরেক পা ধরে কেঁদেছে,ছাড়াতে পারেনি।আমার শরীরে ছিল তখন অসুরের শক্তি।বিধবার চিৎকারে গাছের পাতা ঝরেছে কিন্তু আমি ছিলাম নিরুত্তাপ, আমার মন গলেনি,বিন্দু পরিমাণ দয়ার উদ্রেক হয়নি সেদিন।এলাকার প্রত্যেকেই শুনেছে সেই রাতের আহাজারি, কিন্তু কারো সাহসে কুলাইনি এগিয়ে এসে দেখার কারন হালিম দারোগা ছিল সেই সময়ের সাক্ষাত মৃত্যুদূত।"

এই পর্যন্ত পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।আর পড়তে ইচ্ছা করছে না।কিন্তু মন বলছে শেষে কিছু একটা অপেক্ষা করছে,তাই জোর করে আবার পড়তে শুরু করলাম।

"এরকম আরো অপকর্ম করেছি কিন্তু কখনো প্রায়শ্চিত্ত করিনি,এই হত্যার মাধ্যমে প্রায়শ্চিত্ত করার সময়ও শেষ হয়ে গেলো।
বিধবা ছেলের লাশ দাফন না করে দৌড়ে সেদিন মসজিদে গিয়েছিল।মসজিদের খুটি ধরে চিৎকার করে অভিশাপ দিয়েছে ,"আল্লাহ, যে পা দিয়া আমার পোলারে মারছে ঐ দারোগা,ওর পায়ের বিচার কইরো আল্লাহ তুমি।"
যে দুই একজন সাহস করে লাশ এনেছিল তারাই দাফন করলো। হালিম দারোগার সামনে কথা বলে এমন লোকের দেখা পাওয়া যাবে না,তাই কেউ বিচার করা তো দুরের কথা বিচার চাইতে পর্যন্ত আসেনি।
কিন্তু কি থেকে কি হয়ে গেলো কিছুই বুঝতে পারলাম না।আমার পা ব্যথা দিয়ে শুরু হলো ঘটনা।কোন ঔষধেই ব্যথা কমে  না। হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাড় গুড়ো করলেও মনে হয় এমন ব্যথা হয় না।যতো মানুষকে জীবনে লাঠির ঘা মেরেছি ;সব একসাথে জমা হয়ে যেন আমার পায়ে ঘা মারছে।আমার আর্ত চিৎকারে মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেলো।এক সময় বিধবা চিৎকার করে কাঁদত আর আজ বিধবা রাতের গভীরে হো হো করে হাসে,সেই হাসি আমার পায়ের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় বহুগুন।ব্যথা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে পৌছায় যে মনে হয় নিজের পা নিজেই কেটে ফেলি,কিন্তু পারি না,ডাক্তারও অজানা কারনে পারেনি।সত্যি বলতে এখন আর কোন বাধা নেই,আমার চিকিৎসা করবে যে ডাক্তার তাকেও রেহাই দেইনি,সুতরাং আমার চিকিৎসক এখন আমি নিজেই।
আমার পা একসময় পচতে শুরু করলো,পায়ে পোকা কিলবিল করতে লাগলো।পোকা পরিষ্কার করলেও লাভ হয় না কিছুই,আবার কোত্থেকে যেন  ফিরে আসে।রাক্ষসের মতো খেতে খেতে উপরের দিকে উঠে আসে।প্রতিটা পোকার মধ্যে আমি সেই বিধবার মৃত ছেলের ছবি দেখতে পাই।আমার দিন শেষ হয়ে আসছে কিন্তু নরক যন্ত্রনা শেষ হচ্ছে না।আমার দেহের উপরের অংশ বাকি থাকতেই এই লেখা শেষ করতে হবে।কবরে যাওয়ার আগে মানুষ অনেক কিছু দুনিয়ায় রেখে যায়, আমি রেখে যাচ্ছি আমার পা।"

আমার খুব ভয় করছে এখন, হঠাত করেই খেয়াল করলাম জানালা বন্ধ করা হয়নি।হালকা ঝিরঝিরে বাতাসের সাথে কিসের যেন পচা দুর্গন্ধ ভেসে আছে!সাহসে কুলাচ্ছে না জানালা বন্ধ করার।পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছি করুন সুরের কান্না।
আরে নাহ! আমি ভুল শুনছি,এখানে কে কাদতে আসবে।ডাইরিটা বন্ধ করে ঘুমিয়ে যাবো তাও পারছি না।ডাইরিটা চুম্বকের মতো টানছে,কি এক অমোঘ টানে পড়া চালিয়ে গেলাম............।

"ছেলে মেয়ে বউ সবাই আগেই আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।এখন আমি দিন রাত আজরাইলকে ডাকি,কিন্তু আজরাইলও আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতর হই কিন্তু কখনোই বেহুশ হই না।একবার বেহুশ হলেও কিছুক্ষণের জন্য যন্ত্রনা ভুলে থাকতে পারতাম।এই অকথ্য যন্ত্রনা থেকে চিরবিদায় নিতে একবার বিশ খেয়েছিলাম- মরিনি;সারাদিন রক্ত বমি করে নরক যন্ত্রনায় ছটফট করেছি।যে আমি ছিলাম সাক্ষাত মৃত্যুদূত, সেই আমিই আজ নিজেকে মারতে পারছি না।
কিন্তু কিন্তু আজ আমাকে বিদায় নিতেই হবে, একটা ভিন্ন পদ্ধতি বেছে নিয়েছি,আজ সফল হতেই হবে,আজ আমাকে মরতেই হবে,মরতেই হবে।জানিনা ঐ দুনিয়ায় আর কী শাস্তি আছে আমার জন্য.............!"

এই পর্যন্ত লেখার পরে আর কিছু নাই।শুধু কিছু কালি লেপ্টে আছে কাগজে।লেখার শেষ পর্যায়ে কিছু নোট আছে,তবে তা অন্যজনের লেখা। লেখাটাও আধুনিক কলমে পরিষ্কার অক্ষরে লেখা,

"এটাই সুদের পরিণতি।পৃথিবীতে এমন কোন কিট নাই যা সুদখোরের চাইতে নিকৃষ্ট হতে পারে।যতদিন ইচ্ছে হয় আনন্দ করে নাও,শুধু মনে রেখো পরিণতি সবার একরকম হয় না।"

এই লেখা কেন লেখা হয়েছে বা কে লিখেছে কিছুই বুঝতে পারছি না।আরো একটা জিনিস বুঝতে পারছি না আর তা হলো হালিম দারোগার লেখা এই ডায়রি দাদীর কাছে আসলো কিভাবে?আর কেনই বা আসলো?

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

উচিৎ শিক্ষা

দর্শনঃমোল্লা নাসিরুদ্দিনের ফুঁ

বাঘা বাতাস